1. [email protected] : admi2019 :
| বঙ্গাব্দ

অতিরিক্ত মুনাফা চলবে না: জেলা প্রশাসক

রিপোর্টারের নামঃ Shahjalal Rana
  • আপডেট টাইমঃ 20-02-2026 ইং
  • 29036 বার পঠিত
ad728

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী খাতুনগঞ্জে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন। উৎসব এলে দাম কমবে-এমন সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে খাতুনগঞ্জ পাইকারি বাজার পরিদর্শন ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ আহ্বান জানান। 

জেলা প্রশাসক বলেন, রমজানকে কেন্দ্র করে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি, কৃত্রিম সংকট বা ভোক্তা হয়রানি কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।

তিনি ব্যবসায়ী নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, খাতুনগঞ্জ দেশের অন্যতম বৃহৎ পাইকারি বাজার। এখান থেকে যদি দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়, তবে সারা দেশ তা অনুসরণ করবে।

পরিদর্শন শেষে খাতুনগঞ্জ, রিয়াজউদ্দিন ও বড়পুল এলাকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১৪টি মামলায় ২৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, রমজানজুড়ে বাজার মনিটরিং অব্যাহত থাকবে।

রমজানকে কেন্দ্র করে কোনোভাবেই অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা ভোক্তাদের হয়রানি সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন ডিসি জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেন, ‘উৎসব আসলে জিনিসপত্রের দাম কমাতে হবে। উৎসবের আনন্দ তখনই অর্থবহ হবে, যখন সমাজের সব শ্রেণির মানুষ স্বস্তিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারবে।’

পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অন্যান্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর নিত্যপণ্যের দাম তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রিত রয়েছে এবং এখন পর্যন্ত বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধির অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তিনি ব্যবসায়ীদের ‘ব্লেইম গেম’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বাজারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি পণ্য বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলকভাবে যথাযথ রশিদ দেওয়ার নির্দেশ দেন জেলা প্রশাসক। পাইকারি বাজার থেকে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে পণ্য বিক্রির সময় রশিদে বিক্রেতার যোগাযোগ নম্বর সংযুক্ত রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়, যাতে প্রয়োজনে তা যাচাই করা যায়।

 তিনি বলেন, কোনো ধরনের সিন্ডিকেট বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির সুযোগ নেই।

অনিয়ম প্রমাণিত হলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাজার পরিদর্শনের সময় জেলা প্রশাসক ব্যবসায়ীদের কাছে চাঁদাবাজি বা পণ্যের ঘাটতি আছে কি না জানতে চান। ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে কোনো চাঁদাবাজি বা সরবরাহ ঘাটতি নেই। তাঁদের দাবি, অনেক পণ্যের দাম কমেছে। তবে খুচরা ব্যবসায়ীদের একটি অংশের অভিযোগ, পাইকারি পর্যায়ে কিছু পণ্যের দাম বাড়ায় খুচরা বাজারেও প্রভাব পড়ছে।


ad728

এ জাতীয় আরো খবর..

ad728
ad728