কোতোয়ালী থানায় সুপ্রিম কোর্ট ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলার বাদী তাঁর বাবা জামাল উদ্দিনের জেরা চলছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদুল হকের আদালতে আসামির পক্ষে আইনজীবীরা জামাল উদ্দিনকে জেরা করেন। শুনানিতে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে ভার্চুয়ালি হাজির করা হয়। অন্য আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার বাদীর আইনজীবী ও আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মো. রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী বলেন, অ্যাডভোকেট আলিফ হত্যা মামলায় তার পিতা পূর্বে সাক্ষ্য দিলেও জেরা সম্পন্ন করতে প্রায় ৪ বার তারিখ পেরিয়েছে। প্রতিবারই আসামি চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে সময়ের আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করে।
তিনি আরও বলেন, আজও অসমাপ্ত জেরা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তার আইনজীবী পুনরায় সময় চান, যা আদালত গ্রহণ করে ২০ এপ্রিল নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন। অন্যদিকে দেব, সুকান্ত ও বিধানের পক্ষে জেরা সম্পন্ন হয়েছে।
২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালত ভবন এলাকায় সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় তাঁর বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে নগরের কোতোয়ালী থানায় ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন। ২০২৫ সালের ১ জুন আলিফ হত্যা মামলায় চট্টগ্রাম আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তৎকালীন সিএমপির কোতোয়ালী জোনের তৎকালীন সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান চার্জশিট দাখিল করেন। মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ৩৮ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। গত ২৫ আগস্ট তৎকালীন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এসএম আলাউদ্দিন মাহমুদের আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার দাখিল করা চার্জশিটের গ্রহণযোগ্যতার শুনানি শেষে সুকান্ত দত্তসহ ৩৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেছিলেন আদালত। ৩১ জনকে আসামি করে মামলার এজাহার দায়ের করা হলেও এজাহারনামীয় গগন দাশ, বিশাল দাশ ও রাজকাপুর মেথরের সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় মামলার দায় থেকে তাদের অব্যাহতির আবেদন করেছিলেন তদন্ত কর্মকর্তা। তবে নতুন করে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসসহ আরও ১০ জনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় তাদের অন্তর্ভুক্ত করে গত বছরের ২৫ আগস্ট চিন্ময় কৃষ্ণসহ ৩৯ আসামির বিরুদ্ধে বাদীর উপস্থিতিতে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আদালত। বর্তমানে এই মামলায় ২৬ জনকে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছে। ১৩ জন আসামি পলাতক রয়েছে।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |

