1. [email protected] : admi2019 :
| বঙ্গাব্দ

নির্বাচন আয়োজন সার্থক: জেলা প্রশাসক

রিপোর্টারের নামঃ Shahjalal Rana
  • আপডেট টাইমঃ 15-02-2026 ইং
  • 14622 বার পঠিত
ad728

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেছেন, দুটি ব্যালটে ভোট গ্রহণ এবং বিশেষ করে বোরকা পরিহিত নারী ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ে অতিরিক্ত সময় লাগায় লাইনে অপেক্ষার সময় দীর্ঘ হয়েছে। তবে ভোটাররা এতে বিরক্ত না হয়ে আনন্দের সঙ্গেই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। সব মিলিয়ে নির্বাচন আয়োজন সার্থক।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, ভোটারদের দুটি ব্যালটে ভোট দিতে হয়েছে, ফলে স্বাভাবিকভাবেই সময় বেশি লেগেছে।

বিশেষ করে বোরকা পরিহিত নারী ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করতে হয়েছে। এসব কারণে লাইনে অপেক্ষার সময় দীর্ঘ হয়েছে।

ভোটারদের প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি যখন ভোটারদের জিজ্ঞেস করেছি, তারা বলেছেন তাদের কোনো কষ্ট হচ্ছে না। বরং তারা আনন্দিত যে তারা ভোট দিতে পারছেন। তখন আমাদের মনে হয়েছে, আমাদের আয়োজন সার্থক হয়েছে। জেলা প্রশাসক বলেন, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ‘ইতিহাসের সেরা নির্বাচন’ আয়োজনের লক্ষ্য নিয়েই চট্টগ্রামে ভোট সম্পন্ন করা হয়েছে। এই সরকারের একটি ঘোষণা ছিল যে আমরা ইতিহাসের সেরা নির্বাচন উপহার দিতে চাই। সেই লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে, যা বাংলাদেশে ইতিপূর্বে কখনো হয়নি।

নির্বাচন পরিচালনায় চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরে মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, এখানে যারা নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করতে এসেছেন, তারা প্রত্যেকেই একদম নতুন। তাদের এ অঞ্চলের জল, মাটি, গাছপালা, মানুষ বা প্রকৃতির সঙ্গে কোনো পূর্বপরিচয় ছিল না। এমন একটি সম্পূর্ণ নতুন সেটআপে নির্বাচন আয়োজন করা আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তিনি আরও বলেন, তবে আমরা এটিকে শুধু চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখিনি। আমরা দেখেছি, এবারের নির্বাচন রাষ্ট্রের ইমেজের প্রশ্ন।

নতুন বাংলাদেশ গড়তে এবং আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সুষ্ঠু নির্বাচন অপরিহার্য। অতীতের নির্বাচনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গ তুলে জেলা প্রশাসক বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে বারবার সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে আমরা দেশের মানুষের ভোটাধিকার সুরক্ষিত রাখতে পারিনি। কিন্তু এবারের পরিবেশ ছিল ভিন্ন। সরকার ও সংশ্লিষ্ট সব বাহিনী একটি নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে আন্তরিক ছিল।

তিনি বলেন, আমি স্পষ্টভাবে জানিয়েছিলাম, এবারের নির্বাচনের মূল মানদণ্ড হবে নিরপেক্ষতা। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সবাইকে এই মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হতে হবে। কোনো ধরনের গাফিলতি বা শৈথিল্য বরদাশত করা হবে না। তার দাবি, সংশ্লিষ্ট সবাই সেই বার্তা অনুধাবন করে দায়িত্ব পালন করেছেন, যার ফলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করা সম্ভব হয়েছে। দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তাদের বিষয়ে তিনি বলেন, নতুন ও মেধাবী কর্মকর্তাদের প্রস্তুত করা হয়েছে, প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, সব প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার খুব অভিজ্ঞ ছিলেন না। বাস্তবতার কারণে কিছু পরিবর্তন আনতে হয়েছে। আরও বেশি প্রশিক্ষণ দিতে পারলে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া আরও দ্রুত করা যেত।

ad728

এ জাতীয় আরো খবর..

ad728
ad728