চট্টগ্রামে হালিশহরে গ্যাস লাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ সামির আহমেদ সুমন (৪০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ৩ জনে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে জাতীয় বার্নের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।
জাতীয় বার্ন প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, সকাল ১১টা ৫৫ মিনিটের দিকে আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়েছে। তার শরীরে ৪৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল এবং তার ইনহ্যালেশন ইনজুরি ছিল। এর আগে নুরজাহান আক্তার তার ছেলে শাওন নামে দুইজনের মৃত্যু হয়। এই নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৩ জনে দাঁড়ালো। তবে বাকি ৬ জনের অবস্থা অসংখ্যজনক বলেও জানান তিনি। ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে দগ্ধ ৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে ৫০ শতাংশ দগ্ধ শাওন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এর আগে, ১০০ শতাংশ দগ্ধ নুরজাহান আক্তার রানীকে জরুরি বিভাগে মৃত ঘোষণা করা হয়।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, ভর্তি থাকা অন্যদের অধিকাংশের অবস্থাই গুরুতর। শাখাওয়াত হোসেন ও আশুরা আক্তার পাখির শরীরের শতভাগ দগ্ধ হয়েছে। মো. শিপনের ৮০ শতাংশ, মো. সামির আহমেদ সুমনের ৪৫ শতাংশ, আয়েশা আক্তারের ৪৫ শতাংশ, উম্মে আয়মান স্নিগ্ধার ৩৮ শতাংশ এবং মো. ফারহান আহমেদ আনাসের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
এর আগে, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর এলাকার এইচ ব্লকের ‘হালিমা মঞ্জিল’ নামের একটি ভবনের তৃতীয় তলায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা থেকে পর্যায়ক্রমে তাদের ঢাকায় নেওয়া হয়।
দগ্ধরা হলেন— শাখাওয়াত হোসেন (৪৬), তার ভাই মো. শিপন (৩১), মো. সামির আহমেদ সুমন (৪০), শাখাওয়াতের বড় ছেলে মো. শাওন (১৬), সামিরের বড় ছেলে মো. ফারহান আহমেদ আনাস (৬), শাখাওয়াতের ছোট মেয়ে আইমান স্নিগ্ধা (৯), সামিরের ছোট মেয়ে আয়েশা আক্তার (৪) এবং সামিরের স্ত্রী আশুরা আক্তার পাখি (৩৫)। নিহত নুরজাহান আক্তার রানী (৪০) শাখাওয়াতের স্ত্রী।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |

