বাঁশখালীতে গভীর রাতে সশস্ত্র সন্ত্রাসী নিয়ে এলাকার ফসলি জমির মাটি ও টপসয়েল কেটে লুট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মধ্যম পুঁইছড়ি মাওলারপাড়া এলাকার মনছুর আলীর ছেলে আমির হোসেন লেদুর নেতৃত্বে এই মাটিকাটা হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এই ঘটনায় বাঁশখালীর পুঁইছড়ি ইউনিয়নের ৩ ও ৪ নং ওয়ার্ডের আইচ্ছার পাড়া, সিকদারপাড়া, হিন্দুপাড়া, শাইরপাড়া এলাকার বাসিন্দাদের পক্ষে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা ভূমি অফিস বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
জানা গেছে, বাঁশখালী উপজেলার পুঁইছড়ি ইউনিয়নের ৩ ও ৪নং ওয়ার্ডের আইচ্ছারপাড়া, সিকদারপাড়া, হিন্দুপাড়া ও শাইরপাড়া এলাকার বিশাল ও এলাকা ও বিলজুড়ে গভীর রাতে সশস্ত্র বাহিনীর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ফসলি জমি ও বিল থেকে অনুমতি ছাড়া মাটির উপরের অংশ (টপসয়েল) কেটে লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় মনছুর আলীর ছেলে আমির হোসেন লেদুর নেতৃত্বে এই মাটি কাটা ও লুটের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। মাটি খেকোদের সশস্ত্র বাহিনী থাকায় এলাকাবাসী প্রতিবাদ করার সাহস পাচ্ছেনা। মাটি কাটার প্রতিবাদ করায় অনেককে লাঞ্ছিত করার পাশাপাশি মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানিও করা হচ্ছে।
এলাকাবাসীর পক্ষে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগকারী মোহাম্মদ মামুন জানান, মাটি খেকো আমির হোসেন লেদু এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। শুধু মাটি কাটাই নয়; এলাকায় মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড পরিচালনাসহ এমন কোন কাজ নেই যা লেদু ও তার বাহিনীর মাধ্যমে সংঘটিত হয়না। তিনি অবিলম্বে অনুমতি ছাড়া কৃষকের ফসলি জমি মাটি কেটে নেওয়া বন্ধ করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
অভিযুক্ত আমির হোসেন লেদু জানান, আমি কিছু মাটি কাটার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু প্রশাসন আমার গাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়ার পর আর মাটি কাটিনি। যারা অভিযোগ দিয়েছে তারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ ওমর সানী আকন জানান, পুঁইছড়িতে মাটি কাটা নিয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। এলাকাবাসীর লিখিত অভিযোগের আগ থেকেই আমরা সেখানে অভিযান পরিচালনা করেছি। এখনো প্রশাসনের নজরদারি চলছে বলে জানান তিনি। বাঁশখালীতে কোন অবস্থাতেই কাউকে মাটি বা পাহাড় কাটতে দেওয়া হবেনা।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |

