কুরআনের আলোয় জীবন পরিচালনাই প্রকৃত সফলতা বলে মন্তব্য করেছেন দরবারে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক মনজিলের সাজ্জাদানশীন হযরত শাহসুফি সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (ম.)। তিনি বলেন, হিফজ শুধু মুখস্থ নয়। কুরআনের আদর্শে জীবন গড়াই আসল উদ্দেশ্য।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ফটিকছড়ি উপজেলার রোসাংগীরির আজিমনগর এলাকার উম্মুল আশেকীন মুনাওয়ারা বেগম এতিমখানা ও হেফজখানায় এক অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক আকরাম খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও রাজনীতিবিদ সরোয়ার আলমগীর।
প্রধান অতিথি বক্তব্যে মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী বলেন, আজ যারা হাফেজে কুরআন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে, তারা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের গর্ব নয়। তারা পুরো উম্মাহর সম্পদ। সমাজ ও রাষ্ট্রে তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি অভিভাবকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আপনাদের ত্যাগ ও ধৈর্যের কারণেই সন্তানরা কুরআনের খাদেম হিসেবে গড়ে উঠছে। সভাপতির বক্তব্যে আকরাম খান বলেন, কুরআনের হাফেজ তৈরির এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। এই প্রতিষ্ঠান দ্বীনি শিক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।
সাধারণ সম্পাদক ও সুপার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মাদ্রাসা-এ-গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অধ্যক্ষ আবুল কাছেম, সৈয়দ মোরশেদুল আমিন, হাফেজ মুহাম্মদ এরশাদ ও হাফেজ আবুল কালাম।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বলাই কুমার আচার্য্য, কাজী মোহাম্মদ ইউসুফ, মকসুদুর রহমান হাসনু, কাজী নিজাম উদ্দীন, মাস্টার বটন কুমার দে, সৈয়দ সাকলাইন মাহমুদ ও ডা. সামিয়ুল করিম প্রমুখ। শেষ পর্বে হেফজ সম্পন্নকারী ১০ শিক্ষার্থীর মাথায় দস্তারে ফজিলত পরানো হয়। তাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |

