বৈষম্যমুক্ত নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বস্তরের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশ নেন।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। ‘সর্বস্তরের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী’ ব্যানারে কর্মসূচিটি আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে নিরাপত্তা দপ্তরের প্রধান ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার আব্দুর রহিম সঞ্চালনা করেন। এতে বক্তব্য দেন আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাফর উল্লাহ তালুকদার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) ও লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমদ, প্রাণীবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক ড. মুমিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
অধ্যাপক মমতাজ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা শিক্ষকরা এই মানববন্ধনের দাবির সঙ্গে একমত। অতিশীঘ্রই নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন করতে হবে।’ প্রভাষক ড. মুমিন বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কাঠামোর দিকে তাকালে দেখা যায় আমরা দীর্ঘদিন ধরে তীব্রভাবে বঞ্চিত। অন্তর্বর্তী সরকারের অনেক ভালো উদ্যোগ থাকলেও এই জায়গায় তারা ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। বিশ্বের প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য স্বতন্ত্র পে স্কেল রয়েছে, কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমাদের নেই। ২০১৫ সালের পর পে স্কেল বাড়ানো হয়নি—১১ বছর আগের বেতন কাঠামো বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার সমিতির সভাপতি রশিদুল হায়দার জাবেদ বলেন, ‘কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে গতকাল দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করেছি। আজ মানববন্ধন ও মিছিল করেছি। আগামীকাল কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সকাল ১০টা থেকে এক ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করা হবে।’ ডেপুটি রেজিস্ট্রার শহীদুল হক বলেন, ‘২০০৯ সালের পে স্কেল বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে অনুরোধ—অতিদ্রুত নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন করুন।’ ডেপুটি রেজিস্ট্রার আব্দুর সবুর বলেন, ‘আমরা অবিলম্বে নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন চাই। আশা করি বর্তমান সরকার আমাদের যৌক্তিক দাবি মেনে নিয়ে স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সহযোগিতা করবে।’
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |

