ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১০ (পাহাড়তলী-ডবলমুরিং) আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান বলেছেন, এমপি হওয়ার বিষয়টি ব্যক্তিগত গৌরবের চেয়ে বড় হলো দায়িত্ব।
বিজয়ের উচ্ছ্বাসে কোনো বিব্রতকর কর্মকাণ্ডে জড়ানো যাবে না; গণতন্ত্রের মূল শিক্ষা সহনশীলতা, ন্যায্যতা ও সমতা বজায় রাখতে হবে। প্রায় চার লাখ ৯৩ হাজার ভোটারের প্রত্যাশা ও আস্থা এখন আমার কাঁধে। তরুণ, প্রবীণ, নারী, বিভিন্ন ধর্ম ও পেশার মানুষ—সবার জন্য কাজ করবো।
বিশেষ করে মেহনতি ও শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে নীতিনির্ধারণে ভূমিকা রাখার ওপর জোর দেব।
সম্প্রতি বাংলানিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
গণতন্ত্রের চর্চায় সহনশীলতা, ন্যায্যতা ও সমতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে জাতীয়তাবাদী পাট শ্রমিক দল-এর সভাপতি সাঈদ আল নোমান বলেন, এমপি হয়েছি—এটা গৌরবের নয়, বড় দায়িত্বের বিষয়। ভোটাদের প্রত্যাশা পূরণ, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং উন্নয়নে পাশে দাঁড়ানো এখন আমার দায়িত্ব।
তরুণ, প্রবীণ, নারী, বিভিন্ন ধর্ম ও পেশার মানুষের জন্য সমানভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেছি।
পরাজিত প্রার্থীদের প্রতিও সহযোগিতার বার্তা দিয়ে সাঈদ আল নোমান বলেন, সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হলে সবার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। নির্বাচনে যারা জয়ী হননি, তারাও যেন এলাকার উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করেন—এমন মানসিকতা থেকেই এগিয়ে যেতে চাই। জনগণের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার জন্য একজন দায়বদ্ধ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে চাই।
ইনশাল্লাহ আমরা সবাই মিলে চট্টগ্রামের উন্নয়নে কাজ করবো।
তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র মানেই সমতা, গণতন্ত্র মানেই ন্যায্যতা। অতএব, আমাদের আজকে অতি উৎসাহী হয়ে কোনোভাবেই এই সহনশীলতা, ন্যায্যতা, সমতাকে ভুলে যাওয়া যাবে না। তাই আমি যাদের কারণে আজকে এমপি—সাধারণ মানুষ এবং আমাদের বিএনপির রাজনৈতিক সৈনিকদের অনুরোধ করব, আমরা যেন অতি আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে গা ভাসিয়ে না দিই, এমন কিছু না করি যেটা বিব্রতকর। আবার যারা নির্বাচনে নির্বাচিত হননি, তাদেরকে বলতে চাই— আমি সবাইকে নিয়ে সাধারণ মানুষের কাজগুলোকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য, মানুষের উপকারে আসে, মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হয়—সেই কাজগুলো করার জন্য আমরা যেন একসঙ্গে কাজ করার মানসিকতা রাখি, যেটা আমার আছে।
ইনশাল্লাহ আমরা করব।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |

