1. [email protected] : admi2019 :
| বঙ্গাব্দ

বন্দরের টার্মিনাল লিজে অনিয়মের অভিযোগ

রিপোর্টারের নামঃ Shahjalal Rana
  • আপডেট টাইমঃ 24-02-2026 ইং
  • 18983 বার পঠিত
ad728

চট্টগ্রাম বন্দরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল বিদেশি কোম্পানির কাছে কনসেশন চুক্তির মাধ্যমে লিজ দেওয়ার প্রক্রিয়ায় অনিয়ম, গোপন চুক্তি (নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট) এবং সম্ভাব্য কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে তদন্তের দাবি জানিয়েছে ‘দেশপ্রেমিক নাগরিক সমাজ’ নামে একটি সংগঠন।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সেগুনবাগিচায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কার্যালয়ে সংগঠনের মুখপাত্র মো. আল আমিন হোসেন ও সহ-মুখপাত্র মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল চৌধুরীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়।

যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ

অভিযোগে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এসএম মনিরুজ্জামান, সাবেক বিডা চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, সাবেক প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুতফে সিদ্দিকী এবং সাবেক নৌ উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, চট্টগ্রাম বন্দরের লাভজনক নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক কোম্পানি DP World–এর কাছে কনসেশন চুক্তির মাধ্যমে লিজ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে পুনরায় তদবির চলছে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা রয়েছে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর ডেনমার্কভিত্তিক APM Terminals–এর সঙ্গে লালদিয়া টার্মিনাল ৪৮ বছরের কনসেশন চুক্তিতে এবং একই দিনে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক MEDLOG SA–এর সঙ্গে কেরানীগঞ্জের পাঁনগাও টার্মিনাল ২২ বছরের কনসেশন চুক্তিতে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

চুক্তিগুলো অস্বাভাবিক দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে এবং ‘নন-ডিসক্লোজার অ্যাগ্রিমেন্ট’-এর আওতায় হওয়ায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে দাবি সংগঠনটির। উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক দরপত্র ছাড়া নির্দিষ্ট বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সম্পদ হস্তান্তরের উদ্যোগ দুর্নীতি ও কমিশন বাণিজ্যের আশঙ্কা তৈরি করেছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

সংগঠনের মুখপাত্ররা বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র।

রাষ্ট্রীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো ধরনের গোপন চুক্তি বা অনিয়ম গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা চাই দুদক নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করুক।

সংগঠনের পক্ষ থেকে  দুদকের কাছে দাবি গুলো হচ্ছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, কমিশন বাণিজ্য ও ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ তদন্ত; প্রয়োজনে দেশি-বিদেশি ব্যাংক হিসাব ও আর্থিক লেনদেনের প্রাথমিক অনুসন্ধান, তদন্ত চলাকালে প্রমাণ নষ্ট বা পলায়নের আশঙ্কা এড়াতে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ।

এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য এখনো জানা যায়নি।


ad728

এ জাতীয় আরো খবর..

ad728
ad728