1. [email protected] : admi2019 :
| বঙ্গাব্দ

মেয়াদোত্তীর্ণ কসমেটিকস ও ‘নকল’ বিদেশি পোশাক ঈদবাজারে

রিপোর্টারের নামঃ Shahjalal Rana
  • আপডেট টাইমঃ 13-03-2026 ইং
  • 15564 বার পঠিত
ad728

পাকিস্তানি মেয়েদের পোশাকের দাম ও কদর দুটোই বেশি ঈদ বাজারে। এ সুযোগে দেশি পোশাককে পাকিস্তানি বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বিভিন্ন শোরুমে।

এসব পোশাক আমদানির ডকুমেন্টস যেমন নেই তেমনি পাইকারি কেনার রশিদও নেই। ফলে সন্দেহ জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের।

তাঁরা বলছেন, শুধু অভিযানই যথেষ্ট নয়, ক্রেতাদেরও সচেতন হতে হবে। অভিযান শুধু, গণসচেতনতা বাড়ানোর জন্যই। শুধু কাপড় নয়, নৈরাজ্য চলছে কসমেটিকসের বাজারেও। নকল, ভেজাল, মেয়াদোত্তীর্ণ, অননুমোদিত কসমেটিকসে সয়লাব দোকানগুলো।

চর্মরোগ ও স্বাস্থ্যহানির ঝুঁকি বাড়ছে এসব পণ্যে। 

বুধবার (১১ মার্চ) নগরের জিইসি এলাকার সানমার ওশান সিটির অ্যাঞ্জেলিককে বাংলাদেশি কাপড় বিদেশি বলে বিক্রি, বিদেশি কাপড়ের ভাউচার দেখাতে না পারায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মেয়াদোত্তীর্ণ চোখের লেন্স এবং অননুমোদিত বিভিন্ন প্রসাধনী বিক্রির দায়ে রেড আর্থকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। 

অভিযানের সার্বিক চিত্র তুলে ধরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মোহাম্মদ ফয়েজ উল্যাহ সাংবাদিকদের বলেন, পোশাকে পাকিস্তানি কিছু ব্রান্ডের নাম দেখেছি।

তবে তারা ডকুমেন্ট দেখাতে পারেননি। একপর্যায়ে তারা বলেছে ঢাকা থেকে কিনেছে। ডকুমেন্ট দেখাতে পারেননি।  মেড ইন পাকিস্তান উল্লেখও নেই। দুই-একটা পোশাক ইউএই থেকে কিনে এনেছে, সেগুলোর ভাউচার যাচাইয়ের সুযোগ নেই।

কোনো পোশাকই আমদানি করা নয়। বাইরের যেসব পোশাক প্রদর্শন করছে তার একটা পোশাকও আমদানি করা নয়। মূল্যও প্রদর্শন করেনি। ২০২৩ সাল থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ কসমেটিকস বিক্রি হচ্ছে। অনেক বেশি এক্সপেনসিভ কিছু পারফিউম আছে। যেটা অরজিনাল কিনা বের করা যায়নি। ফেইকও হতে পারে।  ঈদ বাজারে সবাইকে সতর্ক করেছি। দেশি প্রোডাক্টে বিদেশি ট্যাগ দিয়ে বিক্রির সুযোগ নেই। আমরা যেহেতু এটা নিয়ে কাজ করা শুরু করেছি। এ ট্রেন্ড বন্ধ করতে হবে। যদি আমাদের দেশের মানসম্মত পোশাক হয় তবে মেড ইন বাংলাদেশ দিয়ে বিক্রি করতে হবে। 

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ভোক্তাদের একটু সতর্ক হওয়া লাগবে। আমাদের দেশে যে মানসম্মত পোশাক তৈরি হয় না তা কিন্তু নয়। বরং আমাদের পোশাক ইউরোপ আমেরিকার বাজারে যাচ্ছে। বিষয়টি মাথায় থাকতে হবে। কোনো ভোক্তা বাইরের প্রোডাক্ট চাইলে যেন অথেনটিক হয়। ফেইক একটা প্রোডাক্ট দিয়ে ভোক্তাকে বাইরের বলে চালিয়ে দেবে এটা যেন কোনোভাবে না হয়। সাধারণ ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হলে আমাদের জানালে আমরা ব্যবস্থা নেব। 

এর আগে শনিবার (৭ মার্চ) টেরিবাজারে ‘রাজস্থান’ নামের এক দোকানে অভিযান চালিয়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বাংলাদেশি পণ্যকে ভারতীয় পণ্য হিসেবে দাবি করে বিক্রির দায়ে এক লাখ টাকা জরিমানা করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।  সোমবার (৯ মার্চ) আগ্রাবাদ এলাকার সিঙ্গাপুর ব্যাংকক মার্কেটে পোশাকের গায়ে ডাবল স্টিকার দিয়ে দাম বাড়ানোর কারণে জেন্টেল পার্ককে ৫০ হাজার টাকা এবং অন্যের উৎপাদিত পোশাক নিজেদের উৎপাদিত বলে বিক্রির কারণে শৈল্পিককে ৩০ হাজার টাকা, নিষিদ্ধ এবং অননুমোদিত প্রসাধনী বিক্রির কারণে ইন্টার লিঙ্ক কসমেটিককে ৫ হাজার টাকা এবং আরবি কালেকশনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।  

ad728

এ জাতীয় আরো খবর..

ad728
ad728