মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, সমুদ্রবিজ্ঞানে বাংলাদেশে অত্যন্ত দক্ষ গবেষক ও বিজ্ঞানী আছেন। নীতিনির্ধারণে তাদের গবেষণালব্ধ তথ্য প্রাধান্য দিতে হবে। ইকোসিস্টেম সুরক্ষা, সমুদ্র ভিত্তিক পরিকল্পনা এবং জলবায়ু সহনশীল মৎস্য ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দিতে হবে। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) পেনিনসুলা হোটেলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিন সায়েন্স ইনস্টিটিউট আয়োজিত ‘মেরিন ফিশারিজ অ্যান্ড ব্লু ইনোভেশন: সেইফগার্ডিং ওশান হারমোনি’ শীর্ষক চার দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
উপদেষ্টা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং অবৈধ, অপ্রকাশিত ও অনিয়ন্ত্রিত মাছ ধরা একক দেশের পক্ষে মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। এজন্য আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদার করতে হবে। বড় শিকারি মাছ কমে যাওয়ায় জেলিফিশের আধিক্য দ্রুত বাড়ছে, যা পরিবেশগত ভারসাম্যের জন্য বিপজ্জনক সংকেত। এসব ফলাফল বঙ্গোপসাগরের ইকোসিস্টেমে দ্রুত হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার ইঙ্গিত দেয়।
চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্ইয়া আখতার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল কাজ হলো গবেষণা, উদ্ভাবনের মধ্যে দিয়ে নতুন নতুন ধারণা সৃষ্টি করা। বাংলাদেশে সমুদ্রসম্পদ নিয়ে গবেষণার অবারিত সুযোগ রয়েছে। আমাদের বিদ্যমান সমুদ্রসম্পদ যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে দারুণ লাভবান হওয়া সম্ভব। আমাদের ক্যাম্পাসে ওশান স্যাটেলাইট স্থাপন হচ্ছে, এর মাধ্যমে সমুদ্র গবেষণায় সমৃদ্ধ হওয়া যাবে। কোনোভাবে সমুদ্র সম্পদ নিয়ে অবহেলার সুযোগ নেই। আমাদের সীমিত সমুদ্রসম্পদকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। আমি বিশ্বাস করি এ কনফারেন্স থেকে নতুন নতুন ধারণা বের হবে, যা সমুদ্র গবেষণাকে সমৃদ্ধ করবে।
সেমিনারে বক্তব্য দেন চবি উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন, যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব পোর্টসমাউথের বিজনেস স্কুলের ড. পিয়ের ফাইলার ও চবির ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সের পরিচালক অধ্যাপক ড. শেখ আফতাব উদ্দিন আহমেদ।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |

